কথার পিঠে উঠে আসে কথা৷ কথাই দিয়ে যায় নতুন কথকতার হদিস৷ ‘ছেঁড়া ঘুড়ি, রঙিন বল’ও স্মৃতির মহাফেজখানা থেকে সুতোয় Souvik-Bandopadhayজড়িয়ে টেনে আনছে নানা কথা৷ অতীত মানে নস্ট্যালজিয়া৷ অতীত মানে মনখারাপের ভালোলাগা৷ তবে শুধুই কি ভালো? সবই কি ভালো? এমন কিছু অভ্যাস,রেওয়াজ, রীতিনীতি চালু ছিল যার কুপ্রভাব থেকে আজকের দিনও মুক্ত নয়৷ অতীত নিয়ে নাড়াচাড়া করতে গেলে সে কথাও উঠে আসবে বৈকি৷ লিখলেন শৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

আজকের লেখা যে প্রসঙ্গ দিয়ে শুরু করছি, তার বীজ পোঁতা হয়েছিল সেই আটের দশকের শেষাশেষি, যখন আমি, বাবার নির্দেশে রেশন দোকানের লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে গোঁতাগুঁতি খাচ্ছি। তখন ভাবিনি কখনও এইসব লিখব, আপনারা পড়বেন।

 গভীর গবেষণালব্ধ, গম্ভীর এবং বাস্তব তথ্যসমৃদ্ধ প্রবন্ধ লেখা আমার কম্মো নয় মনে হয়। আমার গদ্যে আমি বাস্তবতার সঙ্গে “যদি এমন হতো” মার্কা কল্পনাও মিলিয়ে মিশিয়ে দিই অবলীলায়, গত তেইশটি পর্বে তার কিছুটা আঁচ-আন্দাজ তো আপনারা পেয়েছেন। গৌরচন্দ্রিকা ছেড়ে দেবার এটাই প্রকৃষ্ট সময়।

 সেই রেশনের লাইনে দাঁড়িয়ে নানাজনের কথায় কান দিয়ে জানতে পেরেছিলাম, শহরের নাগরিকদের, অর্থাৎ মিউনিসিপ্যালিটি বা কর্পোরেশন এলাকাবাসীদের সাপ্তাহিক চাল, গম, চিনি এবং কেরোসিন তেলের বরাদ্দ বেশি। বেশি মানে বেশ বেশি। এমন কেন! এই উত্তর সেদিনও পাইনি, আজও খুব পরিষ্কার নয়। গণবণ্টন ব্যবস্থায় অনেক পরিবর্তন হয়েছে সেই আটের দশকের শেষভাগ আর আজকের মধ্যে। বিপিএল এসেছে, এপিএল এসেছে, অন্ত্যোদয় এসেছে। খাদ্যসুরক্ষা আইন বলবৎ হয়েছে। কিন্তু এত করেও বৈষম্য নির্মূল করা যায়নি। অন্ত্যোদয় এবং বিপিএল তালিকাভুক্তদের জন্য খাদ্যে বরাদ্দ বেশি হয়েছে, নিশ্চিত শুভ প্রচেষ্টা। পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থার কারণে বিভাজন হতেই পারে। যে কোনও গণতান্ত্রিক সরকারের দরকার এই সব পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলোকে প্রয়োজনীয় মদৎ দিয়ে সমাজের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনার কাজটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা। কিন্তু শুধু শহরে থাকার কারণে বেশি বরাদ্দ পাওয়া, আর গ্রামদেশে থাকলে না পাওয়া অদ্ভুত বইকী! কিন্তু নানাভাবে তা আজও ঘটে চলেছে।

 line-at-ration-Shopকেউ বলেন, চাকুরেদের যেমন বেতনের সঙ্গে শহরভেদে “সিটি অ্যালাউন্স” আলাদা হয়ে যুক্ত হয়, তেমনই শহরে থাকা লোকেদের বেশি বরাদ্দ হয়। আবার কেউ বলেন, গ্রামের মানুষ এটা পেড়ে ওটা ধরে খেয়ে পেট ভরায়, জ্বালানি হিসেবে পেয়ে যায় এন্তার খড়কুটো, নারকোল-পাতা, ঘুঁটে। নাগরিক জীবনে এসব আছে নাকি?

 জানি না। কিন্তু ওই যে রাস্তায় সন্ধে থেকে রাতভর আলো, নোংরা ফেলার নির্দিষ্ট জায়গা এবং সেই জায়গা রোজ পরিষ্কার হওয়া, রাস্তা, ফুটপাথ এবং “পাড়ার ছোট্ট পার্ক” হালে বা বেহালে রাখা, অধিক বর্ষণে রাস্তাঘাট ডুবলেই পাম্প চালিয়ে সেই জমা জল সরানো ইত্যাকার কাজগুলো গ্রামে এবং মফস্‌সলে বসবাস করা মানুষদের জন্যও সমানভাবে প্রয়োজন হয়। না হলে এইসকল স্বাচ্ছন্দ্য থেকে তাদের ইচ্ছাকৃত দূরে রাখাটাই হয়। মূলত জনসংখ্যা এবং জনঘনত্ব অনুসারেই নাকি ঠিক হয় সেই এলাকার আঞ্চলিক প্রশাসন কীভাবে হবে। পঞ্চায়েত দ্বারা, নাকি মিউনিসিপ্যালিটি বা আরও বড়, কর্পোরেশন কর্তৃক। বেশ তো। ব্যাপারটা এমন হোক না, সার্ভিস ইয়ানি পরিষেবা, একই প্রদান করা হোক। চেহারা হিসেবে নাম আলাদা আলাদা হোক। রোগার নাম পঞ্চায়েত, স্বাস্থ্য-ভালোর নাম মিউনিসিপ্যালিটি, আর মেদবহুলের নাম কর্পোরেশন।

 বললে বিশ্বাস করবেন না, আমাদের বাড়ির কাছাকাছি কিছু এলাকা এক্কেবারে মার্কামারা লালদুর্গ বলে ঘোষিত থাকতে দেখেছি সেই ছোটবেলা থেকে। ওইসব জায়গাগুলোতে এক বন্ধুর বাড়ি ছিল, এক প্রিয় শিক্ষক বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন। যাতায়াত ছিল। ছাত্রজীবনের সাথে সাথে এইসব যাতায়াত-যোগাযোগ ক্ষীণ থেকে প্রায় মিলিয়েই যায় এক সময়। তারপর বহু বছর কেটে যায়, ওদিকে সেভাবে যাওয়া হয় না। এর মধ্যে পরিবর্তন হয়েছে, গাঢ় লাল দুর্গ ফ্যাকাশে হয়ে অন্য দুর্গে বদলে গেছে ক্রমে। মাস ছয়েক আগে চেনা রোজের পথ বদলে সেই এলাকার মধ্যে দিয়ে বাড়ি ফিরছি এক সন্ধেয়। ওমা! কী দেখছি! সুদীর্ঘলালিত গচ্চাসমৃদ্ধ ইটের রাস্তা বদলে ঢালাই হয়েছে। আলো বসেছে ঘনঘন। এলাকার ভোল পালটে চমকাচ্ছে একদম। নতুন গজিয়ে ওঠা বেশ জমজমাট এক চায়ের দোকান। বসেছি একটা চা নিয়ে। একথা ওকথা শুনে নিজেও টুকটাক মুখ খুলেছি। যা ভেবেছি তাই। পরিবর্তনের পর হয়েছে এইসব। অমন নিবেদিতপ্রাণ লালঘাঁটি হয়ে থেকে অত দীর্ঘ বছরগুলোতেও ভাঙাচোরা ইটের রাস্তা ঠিক হল না কেন? এলাকা আলোহীন হয়ে রইল কেন? জনগণ টেকন ফর গ্র্যান্টেড হয়ে গিয়েছিল নিশ্চয়।


মূলত জনসংখ্যা এবং জনঘনত্ব অনুসারেই নাকি ঠিক হয় সেই এলাকার আঞ্চলিক প্রশাসন কীভাবে হবে। পঞ্চায়েত দ্বারা, নাকি মিউনিসিপ্যালিটি বা আরও বড়, কর্পোরেশন কর্তৃক। বেশ তো। ব্যাপারটা এমন হোক না, সার্ভিস ইয়ানি পরিষেবা, একই প্রদান করা হোক। চেহারা হিসেবে নাম আলাদা আলাদা হোক। রোগার নাম পঞ্চায়েত, স্বাস্থ্য-ভালোর নাম মিউনিসিপ্যালিটি, আর মেদবহুলের নাম কর্পোরেশন।


 প্রশ্নগুলোই আপনাকে সঠিক উত্তর জুগিয়ে দেবে। গণতন্ত্রে শিকড় গজানো মানেই আসলে গণতন্ত্রের শিকড় উৎপাটন। আমাদের দেশে যে কোনও নির্বাচন পাঁচ বছরের মেয়াদে হয়। এইভাবে দুই বা তিনবার পর্যন্ত যদি একটা বেড়ি পরানো যায়? মানে একই রাজনৈতিক দল পরপর ম্যাক্সিমাম তিনবার জিতে সরকার গঠন করতে পারবে। পনেরো বছর টানা সরকারে থাকলে অবধারিতভাবে সেই দল এবং সেই দলের প্রথম থেকে চতুর্থ সারির মুখগুলোকে পরের নির্বাচনে সরে দাঁরাতে হবে। পরবর্তী পাঁচ বছর অন্য দলকে জিতে সরকারে আসতে হবে। আবার তার পরের নির্বাচনে জিতে আসুক পুরনো ওই তিনবার জেতা দল। ভারতীয় সংবিধানে প্রয়োজনীয় বদল এনে স্থির হয় যদি এটি? দেখুন ওই প্রাচীন প্রবচন আমি জানি, দুরাত্মার ছলের অভাব হয় না। এই ভেবে হাত পা গুটিয়ে বসে থাকলেও তো চলে না। সমস্যাগুলো এক ঝটকায় নির্মূল না হলেও, কমুক তো কিছু।

lightpost এবারে আসুন গণতন্ত্রের চারটি স্তম্ভ নিয়ে আলোচনা করি। বিচারব্যবস্থা, সমানাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং জনপ্রতিনিধি নির্বাচন। খাটেরও তো চারটে পায়া হয়। হয়, আবার বেশি মজবুত করার প্রচেষ্টা হিসেবে মাঝ বরাবর একটি খুঁটি দিতেও দেখা যায়। ভারতীয় গণতন্ত্র ব্রিটিশদের থেকে ক্ষমতার হস্তান্তরের পর এতগুলো বছর অতিক্রম করল। আপনার কী মনে হয় না, একে আরও মজবুত করার জন্যে আরেকটি বাড়তি খুঁটির প্রয়োজন। সেটি কী?

 আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী পুলিশকে রাজ্য বা দেশের স্বরাষ্ট্র দফতরের অন্তর্ভুক্ত না রেখে নিরপেক্ষ এবং স্বশাসিত স্বাধীন প্রাতিষ্ঠানিক রূপ যদি দেওয়া যায়, কেমন হয়? কেন্দ্রীয়স্তরে, এবং রাজ্যস্তরেও। অন্যায্য কিছু ঘটলে তা বিচার করার জন্য বিচারব্যবস্থা তো আছেই। পুলিশবাহিনী কি এতে আরও ট্রিগার-হ্যাপি হয়ে উঠবে, আরও ভায়োলেন্ট? এখন কেমন আছেন তাঁরা? না ঘরকা না ঘাটকা। পুলিশবাহিনী আইন মেনে পদক্ষেপ নেবে, না রাজনৈতিক নেতানেত্রীর পছন্দের পথে পা বাড়াবে, এই দ্বিধাদ্বন্দ্বে জীর্ণ হতে হতে এক দল “দেশের নিকুচি করেছে” ভেবে নিজেরটা গুছিয়ে নেয়। আর এক দল, একটু ঘুরপথে। পেশাজীবনের প্রথমদিকে কর্তব্যে খানিক নিষ্ঠা দেখিয়ে অর্ধশিক্ষিত বাহুবলী নেতানেত্রীর কাছে মেজবড় “কেস” খেয়ে, নিজেদের ফণা নির্বীষ করে নেয়। স্বাধীনভাবে আইনের পথে চলা হয় কই, তেমন কঠিন পরিস্থিতিতে? স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হলে “চিত্ত যেথা ভয়শূন্য উচ্চ যেথা শির” হওয়ার সম্ভাবনাই তো বেশি।


আমাদের দেশে যে কোনও নির্বাচন পাঁচ বছরের মেয়াদে হয়। এইভাবে দুই বা তিনবার পর্যন্ত যদি একটা বেড়ি পরানো যায়? মানে একই রাজনৈতিক দল পরপর ম্যাক্সিমাম তিনবার জিতে সরকার গঠন করতে পারবে। পনেরো বছর টানা সরকারে থাকলে অবধারিতভাবে সেই দল এবং সেই দলের প্রথম থেকে চতুর্থ সারির মুখগুলোকে পরের নির্বাচনে সরে দাঁরাতে হবে। পরবর্তী পাঁচ বছর অন্য দলকে জিতে সরকারে আসতে হবে। আবার তার পরের নির্বাচনে জিতে আসুক পুরনো ওই তিনবার জেতা দল। ভারতীয় সংবিধানে প্রয়োজনীয় বদল এনে স্থির হয় যদি এটি?


সর্বোচ্চ থেকে সর্বনিম্ন, সব পদেই নিয়োগ থেকে বদলি, বরখাস্ত, পদোন্নতি, অবনতি মায় অবসর, এই সবকিছু হবে স্বচ্ছ, এবং সরকার-শাসকদল-রাজনীতি ইত্যাদি ব্যতিরেকে। সঙ্গে প্রয়োজন উপযুক্ত পরিকাঠামো, কর্পোরেট ধাঁচের বেতন ও অন্যান্য সুযোগসুবিধা। এন্তার রেশন বরাদ্দ করে আর বারো মাসে তেরো মাসের বেতন হাতে ধরালেই সংসার ভালোভাবে চলে না, এটা মেনে নিন এবার। দেখুন, ভারত আর সেই পিছিয়ে পড়া, উন্নতিশীল রাষ্ট্র নয়। অতএব “আমাদের এত টাকা কোথায়” বলে গণতন্ত্রের উৎসব নামে খ্যাত নির্বাচন উপলক্ষ্যে লক্ষ-কোটি খরচ করবেন না, কপি-পেস্ট সিনেমা বানাতে অযুত-কোটি খরচ করতে দেবেন না। অদরকারী খরচে লাগাম পরিয়ে এইসব প্রয়োজনগুলোকেও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করুন।

 অনেকের কথাই লিখলাম, অথচ মাথাব্যথার প্রধান কারণদের নিয়ে একটি শব্দও যদি না খরচ করি, ঠিক হবে না বিলকুল। এবার তাঁদের কথায় আসি, রাজনীতিক। দেশের সেবা, মানুষের সেবা, উন্নয়ন, মহান ব্রত, চরম পূণ্য – এইসব অনেক শোনা হয়েছে। দেশ এখন আর শক-হূণ-মোগল-পাঠান বা ব্রিটিশদের কব্জায় নেই। নিজেদের দেশ নিয়ে নিজেদের কাজ করাই ভালো। অহেতুক সেন্টু খেয়ে বা খাইয়ে নিজেকেই চোখ ঠারা আর কতদিন টানা যায়? ভাবুন পারিবারিক ব্যবসা চলছে রমরমিয়ে। মালিক বা মালকিনের দুই ছেলে। বড় ছেলে উপযুক্ত বয়সে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হলেন, ক্রমে এভাবেই এলেন ছোট ছেলে। এরা কি মাগনায় খাটেন শুনেছেন কোথাও? শুনবেন না। দেশের ক্ষেত্রেও তেমনই। কল আ স্পেড, স্পেড। না হলে ঘুমা-ফিরাকে যেটা চলছে সেটাই চলবে। বেতন পর্যাপ্ত নয়, অথবা বেতন প্রায় নেই, এবং বেতন শব্দটির অস্তিত্ব একেবারেই নেই – এই তিন শ্রেণিতে বিভক্ত রাজনীতিকরা বেছে নেবেই ব্যাঁকা পথ। কেউ সে পথকে ডাকবে তোলাবাজি বলে, কেউ বলবে সিন্ডিকেট। সরাসরি, অথবা গোপনে গোপনে, অন্য নামে। কারও হয়তো অন্য পরিষ্কার উপার্জন আছে, সেখানে সময় ব্যয় করে বাকিটা তুলে রাখবেন দেশের জন্য। বাকি সময়টুকু আর কতটা হবে?

 ????????????????????আসুন, পলিটিক্স বা রাজনীতি করা ব্যাপারটিকে পষ্টাপষ্টি কেরিয়ার বলেই উচ্চারণ করা যাক। বেতন পরিকাঠামো থাকুক। বেতনবৃদ্ধির সুপারিশ হোক কৃতকর্মের সাফল্যের ওপর, সঠিক পদ্ধতি মেনে, স্বচ্ছতার সঙ্গে। ক্ষমতার নাম করে ভয় দেখিয়ে কিম্বা দলীয় কোষাগার গোপনে বা প্রকাশ্যে ভাঙিয়ে রাজনীতিক বা তার পরিবারকে যেন চিকিৎসা না করতে হয়, আইনী লড়াই না লড়তে হয়, সন্তানের বিদ্যার্জন বা বিয়ে না দিতে হয়। খরচ করুন তিনি তাঁর স্বোপার্জিত সাদা অর্থে। গুচ্ছের ট্রেনভাড়া, প্লেনভাড়া, টেলিফোন, বিদ্যুৎ, জল বিনেপয়সায় বা কম পয়সায় করে দেবার দরকার নেই। দেশের জন্য কাজ করছেন, ভালো করে করুন, পয়সা গুনে নিন। বেতনের সঙ্গেই জুড়ে থাকুক সব। তার নাম হোক, সিটিএমসি। না কস্ট টু কোম্পানি নয় ঠিক, কস্ট টু মাই কান্ট্রি। বন্ধ হোক ঘোমটার নীচে খ্যামটা নাচ।

 আর হ্যাঁ, এই যে এত কিছু সিটিএমসি ইত্যাদি যাঁদের উদ্দেশ্যে, তাঁদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা কী হবে? এই নিয়ে বিস্তর আলোচনা ইতোমধ্যেই হয়েছে, হচ্ছেও। এটা নিয়ে লিখলাম না কিছু। সহৃদয় পাঠিকা-পাঠকদের বিচারেই ছেড়ে দিলাম, কেমন?

 আগেই লিখেছি, আমি যা বলতে চাইছি, সেটা কীভাবে সম্ভব সেটা আমি নিজেই জানি না। অত জ্ঞানগম্যি নেই আমার। স্বৈরতান্ত্রিক বা যাচ্ছেতাই পদ্ধতি অবলম্বন করে নয় মোটেও, যা কিছুই হোক, আইন ও সংবিধান মেনে, প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাধন করে। উদ্দেশ্য একটাই, পৃথিবীর বৃহত্তমর সঙ্গে সঙ্গে শ্রেষ্ঠতম গণতন্ত্রের স্থায়ী উদাহরণ হয়ে উঠুক, হয়ে থাকুক আমাদের দেশ, আমাদের রাজ্য।

আগের পর্ব

ছেঁড়া ঘুড়ি, রঙিন বল