ভাঙো আরও ক্ষুধা

ভাঙো আরও, ভাঙো আরও ক্ষুধা
অন্তরীক্ষে হাহাকার…
ধূসরের ছাই। উল্কার মতো ঝরছে শব্দরা।
দাউদাউ করে মাঠ।
এখানেই ছিল সেই আদিবাসী গ্রাম
হোমো ইরেকটাসের ভাষা
হারানো পাথরের বুকে।
বিদ্বেষী তুফান তছনছ করেছে ঘাম।
আকাশ, ভীত হও!
যেদিন জ্বলবে ঈশ্বরের চোখ
সেদিন বসন্ত এসো। বেড়ে দিও গ্রাস
মুখে মুখে। মিশে যাবে লোহিতকণিকারা
পরস্পর নিজেদের মতো …

সেতু

কতদিন বাকহীন
ভাঙা সেতু…শ্যাওলা প্রস্তরে হাওয়া লাগে
দুলে ওঠে শিলাপট !
খনিকের জন্য হলেও,
যদি লিখতাম ‘ভালো আছো নিখিলেশ?’
ধরো, লিখতাম আঙুরের ক্ষেত।

গড়িয়ে পড়ছে রস!
তখনই থেমে যাই।
যে চিঠি পাঠিয়েছিলে কিছু মাস আগে,
তাতে ধুলো ধুলো মাঠ…
মাটিতে ছেয়ে ছিল নাসপাতি গাছ।
রুক্ষ পাতাদের দিকে তাকিয়ে
ভেবেছি, যদি আরও একবার বৃষ্টি নামত!
থেমে গেছি। উপচে এসেছে ঝড়…
অথচ আজও কত স্মৃতি, ওই
ভাঙা সেতুটারই ওপর!