আত্মদর্শন

নিখিলেশ রায়

আমাদের যে-নদীটি আদিকাল থেকে শুধু খিলখিল
সরল জলের ধারা অবিরত বয়ে নিয়ে যেত
স্রোত ও ঘূর্ণনসহ আমি তার আনন্দিত গভীরতা চিনি
সে ছিল চাঁদের মতো, সে ছিল বকুলের মতো

শৈশব তো বহুদূর– যেন স্মৃতিকাল, অধুনাবিলুপ্ত কোনো বটবৃক্ষতলা
তাকে সঙ্গে নিয়ে যাই সে গ্রামীণ নদীটির কাছে
তার কণ্ঠা, তার মলিনতা ছুঁয়ে ছুঁয়ে অনুভব করি
হাঁটুজলে সে এখন কী গহীন, কী অতল বিধুর হয়েছে!

দু’জনে দু’জন দেখি– নদী যেন আজ অন্য কেউ
অকস্মাৎ আমি তার হাসি শুনি, বিধুরতা শুনি…
জটিল বুননে গাথা আধুনিক নভেলের মতো দুই নদী
বহুদিন বাদে আজ জটিল আবর্তমাখা প্রবাহ হয়েছে