#অসুখ

অসুখের দিনে অদ্ভুত একটা ঘোরের মধ্যে থাকি অথচ সমস্ত অসুখের একটা সকাল থাকে। চারদিক ঝাপসা হয়ে এলেও এইসময় কত কত মুখ ভেসে ওঠে চোখের পর্দায়! কাছের, নিজের, চেনা-অচেনা কত মুখই না ভেসে উঠেছে, কেউ কেউ থেকে গেছে আবার কত মুখ মিলিয়ে মিলিয়ে এমনি এমনি।
এই সময় জিভেরও অসুখ করে। স্বাদকোরক গুলো কর্মবিরতি ডাকে…
আসলে সবটাই ওই শীতকালের দায়-– সেই তো হাতে ধরে শেখায় কীভাবে ডুবে যেতে হয় স্বাদহীনতায়!

ঝর-– বৃষ্টি কে মাথায় করে গতজন্মে কোথায় যেন গিয়েছিলাম তোমার সঙ্গে…
বিষাদ-– যন্ত্রণা– শোণিত ধুয়ে দেবে বলেই জলরঙের শ্রাবণ আঁকছিলে বুঝি? অথচ দেখো ব্যথার রং যে নীল সে কথা এর আগে কী কেউ অনুভব করেছে এইভাবে?
আর,
এদিকে সারাজীবন ধরে শুধু শক্ত দুটো চেয়েছি…
মৃত্যুর পর যে দুটো হাত আমার শরীরকে তুলে নিয়ে যাবে…

দু’মুঠো মাটি দেবে বলে!

#স্পর্শ

আমি স্বপ্ন দেখি,
এমন এক রাষ্ট্রের যেখানে হত্যা বলতে বুঝবে প্রেমিকার ঠোঁটে প্রেমিক খুন!
আমি স্বপ্ন দেখি,
একদিন তোমার ঘর-– খড়ের চাল, মুলিবাঁশের বেড়া দেওয়া দাওয়া, আলকাতরা মাখানো সদর দুয়ার, আর তুলসীমঞ্চ-– যেখানে প্রদীপ দেবে আসিফা।
সারা শরীরে মহুয়ার গন্ধ নিয়ে নববধু বেশে অপেক্ষা করবে আমার সাঁওতাল কন্যা-– মানুষ মানুষকে ভালবাসবে, বসন্ত আসবে।
সেঁওতি নামের সেই প্রেমের গ্রামকে মানচিত্রে নিয়ে আসবে প্রেমিক…
ওদিকে আকাশেও চাঁদ বাসর সাজাবে, আবার সেজে উঠবে পৃথিবীর অলকাপুরী।