11206000_1456295311328382_4631279951288620442_n1-300x111

 

                                                                     রবeবার, 0১.১১.২০১৫, বর্ষ ১, সংখ্যা ২৮

‘কথার ওপর, কথার টেক্কা

কথাই টানছে, কথার এক্কা

কথাই সওয়ার কথার ঘোড়ায়

কথার ছন্দ , পদ্য ছোটায়

আমাকে ভাবায়, সুকুমার রায়…’

নাগরিক কবিয়ালকে ঠিক এভাবেই ভাবিয়ে তুলেছেন সুকুমার রায়৷  তিনি আমাদেরও ভাবান৷ বলা ভাল আমরা তাঁর ভাবনার শরিক হই৷ বাঙালির, বিশেষত আমাদের প্রজন্মে এমন কোনও বাঙালি নেই যার ছোটবেলা সুকুমার বিহীন কেটেছে৷ সেই ছোটবেলায় হাট্টিমাটিম

রানা দাস সম্পাদক-কলকাতা24x7
রানা দাস
সম্পাদক-কলকাতা24×7

কিংবা পাগলা দাশুর জগতেরঅন্য এক মাধুর্য ছিল৷ কালক্রমে সেই মাধুর্যের উপর এসেছে অন্য অর্থ৷ যত দিন গিয়েছে সুকুমার অন্য অন্য অর্থ নিয়ে প্রতিভাত হয়েছে৷ এবং স্পষ্ট হয়েছে তিনি কতখানি অমোঘ৷ আজও তো কুমড়োপটাসের ছানার কোনও বিকল্প নেই৷ পাগলা দাশু থেকে কাতুকুতো বুড়ো, সরল হাস্যরসের পরতে পরতে তুলে রাখা তাঁর শ্লেষ আজও তো নির্বিকল্প৷ বস্তুত সাহিত্যের এমন এক ধারা তিনি আমাদের দিয়ে গিয়েছেন যেখানে তিনি এক ও অদ্বিতীয়৷ তাঁর নির্মিত  ভাষা ( আধুনিক সান্ধভাষা বললে অত্যুক্তি করা হবে কি?), শৈলি আজও আমাদের প্রতিদিনের কলমের উৎসমুখ যে খুলে দিচ্ছে সে ঋণ স্বীকার করে নেওয়া যায় নির্দ্বিধায়৷

তবে সুকুমার চর্চা তেমন হারে হয় না৷ তাঁকে শিশুসাহিত্যিক হিসেবে তুলে রাখা আমাদের এক মস্ত ভুল৷ বরং বাংলা সাহিত্যের উচ্চতর পাঠে যদি তাঁর সাহিত্যকে অন্তর্ভুুক্ত করা যায় তবে সমৃদ্ধ হবে আমাদের আগামী প্রজন্মই৷

সেই আশা রেখেই আমাদের আজকের সংখ্যা৷ সকলকে দীপাবলীর  আগাম শুভেচ্ছা৷