11206000_1456295311328382_4631279951288620442_n

 

 রবeবার, ২১.০৬.২০১৫, বর্ষ ১, সংখ্যা১০

 

এক সময়ে বাড়িতে কুটুম আসত৷ আমরাও যেতাম কুটুম বাড়ি৷কুটুম পাখিও চিনতাম সেই ছোটবেলা থেকেই৷আমাদের ছোটবেলায়, যখন এত হুটহাট হিল্লি-দিল্লি বেড়াতে যাওয়ার টল ছিল না, তখন স্কুলের ছুটি মানেই কপটুমবাড়ি যাওয়া৷ তখন এত জানতামও না আত্মীয় ও কুটুমের মধ্যে কী তফাৎ, বা আদৌ কোনও ফারাক আছে কী না৷

কালে কালে দিন বদলেছে৷ এখনকার কিশোররা আর কুটুপাখি চেনে না৷ এমনকী কুটুমবাড়ি যাওয়ার চলও প্রায় নেই৷ তার মানে

রানা দাস সম্পাদক-কলকাতা24x7
রানা দাস
সম্পাদক-কলকাতা24×7

এই নয় যে, কেউ কারও বাড়ি যায় না৷ কিন্তু সেই যে না জানিয়েকুটুম চলে আসা, কিংবা হুট করে কারও বাড়ি পৌঁছনোয় তাদের চেনা রুটিনটা বদলে যাওয়া, আজকালকার দিনে তা আর হয় না৷ তা যে খুব ভালো ছিল এমনটা বলছি না৷ কিন্তু সে সবের মধ্যে আলাদা একটা আনন্দ ছিল৷ আজ মোবাইলে জানান দিয়ে আসা যাওয়ার যুগে তা আর তেমন নেই৷ এখন পুরো ব্যাপারটাই পরিকল্পিত৷ আচমকার আনন্দ মেলে না তাতে৷

আমাদের এবারের সংখ্যা কুটুম৷ কুটুম বাপারটা যখন প্রায় নেই তখন খানিক নস্ট্যালজিয়া নিয়ে নাড়াঘাঁটা৷ আসলে বাঙালির জীবন থেকে অনেক কিছু উবে যেতে বসেছে৷ এই সংখ্যায় তাইই একটু ফিরে দেখার প্রয়াস৷

পরন্তু আজ আমরা আধুনিক বলে গর্ব করি৷কিন্তু এই সেদিনও যখন কুটুম আসত তখন আমরা কিছু মনে করি না৷ কিন্তু আজ সিরিয়াল মুখর নিউক্লিয়ার ফ্যামিলিতে কলিং বেল বাজলেই আমরা বিরক্ত হই৷ আজ হুট করে কারও বাড়ি যেতে হলে বিশবার ভাবতে হয়, কেউ কিছু ভাববে না তো৷ আজকের এই কুটুম সংখ্যা পড়তে পড়তে আসুন আমরা বরং ভেবে দেখি, আমরা কি সত্যি তেমন আধুনিক হচ্ছি৷ নাকি আধুনিকের অছিলায় আর একটু স্বার্থপর হয়ে উঠছি?

আপনাদের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় থাকলাম৷

রানা দাস

সম্পাদক

কলকাতা ২৪x৭