11206000_1456295311328382_4631279951288620442_n

 

   রবeবার, ০৫.০৭.২০১৫, বর্ষ ১, সংখ্যা১২

 

সিনেমায় কী না হয়! নায়ক-নায়িকা এই ছিলেন দেশের মাটিতে, বাস্তবের শক্ত পাথুরে ভূমিতে…যেই না মন দেওয়া নেওয়া হল এমনি হুস করে উড়ে গেলেন হয় বরফের দেশে নয়তো নীল সমুদ্রের পারে৷ দর্শকও সেই মুহূর্তে মন মোর সঙ্গী করে নায়ক নায়িকার হাত ধরে চলে গেল সেই বাস্তব পেরনো স্বপ্নভূমিতে৷ স্বপ্নকে ধরাছোঁয়ার সাধ্য নেই, তবু সিনেমা, তার চরিত্র অনুযায়ী খানিকটা সুযোগ দেয়৷

রানা দাস সম্পাদক-কলকাতা24x7
রানা দাস
সম্পাদক-কলকাতা24×7

ছবির এইসব ড্রিম সিকোয়েন্স আমাদের যেন গোপনে প্ররোচনা দেয়৷ বলে, ‘রোজ কত কী ঘটে যাহা তাহা, এমন কেন সত্যি হয় না আহা!’ সত্যি তো, দেশভাগ তো না হলেই পারত৷ কিংবা ভারতের ফুটবলারের শটে বল গিয়ে জড়িয়ে তো যেতে পারত ব্রাজিলের  গোলের জালে৷ ধরা যাক না কেন, সুভাষবসুর অনতর্ধান বলে ইতিহাসে কিছু নেই৷ কিংবা পলাশির আমবাগানে সেদিন সিরাজই জিতেছিলেন৷ অথবা ধরুন আপনিই বলিউডের সেই বিখ্যাত ছবিটির মতো একদিনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হয়ে গিয়েছেন!

নাহ এসব কিছুই হওয়ার নয়৷ তবু একধরনের খেলায় মেতে ওঠা৷ ইতিহাসকে সংশোধনের এক্তিয়ার আমাদের হাতে নেই৷ তা সম্ভবও নয়৷ নিয়তিকে অতিক্রম করে যাওয়া নিয়তিচালিত মানব সভ্যতার সাধ্যাতীত৷ কিন্তু মানুষ, শুধু মানুষ বলেই পায় স্বপ্ন দেখার অধিকার৷ স্বপ্নে অনন্ত তার ইচ্ছেমতো সে দেখে নিতে পারে তার পছন্দের ইতিহাসকে৷ ড্রিম সিকোয়েন্স আমাদের সে স্বাধীনতাটুকু দেয়৷

আমাদের এ সংখ্যা জুড়ে থাকল এই খেলাই৷ সেই যে উত্তম-সুচিত্রা মোটরবাইকে করে যেতে যেতে বললেন, যদি পৃথিবীটা স্বপ্নের দেশ হয়, তবে কেমন হত, তুমি বলতো? আমরা আমাদের স্বপ্নের কাছেই জানতে চাইলাম, যদি এরকম হত, তবে জীবন কেমন হত তুমি বলতো?

আশা করি আমাদের এ স্বপ্নে আপনিও বিভোর হবেন৷

শুভ স্বপ্ন৷

রানা দাস

সম্পাদক

কলকাতা ২৪x৭