<p style=”text-align: justify”>আমাদের একান্নবর্তী পরিবার ছিল৷ সেখানে পয়লা বৈশাখ মানে এলাহি আয়োজন৷ সকাল সকাল কচুরী হত সবার জন্য৷ আমরা তো এদেশীয় মানে ঘটি, আমাদের কাছে আবার লুচির কদর ছিল বেশি৷ তারপর দুপুরের খাওয়ায় মাংস তো থাকতই৷ নতুন জামা হত এদিন৷ এসবই আমার কাছে ছোটবেলার পয়লা বৈশাখের ছবি৷ আর ছিল হালখাতা৷ তার সবথেকে বড় আকর্ষণ ছিল যে, কয়েকটা বিশেষ বিশেষ দোকনে হালখাতায় আইসক্রিম দিত৷ আর কিছু কিছু দোকানে দিত কোল্ড ড্রিঙ্ক৷ পাইন অ্যাপেলের একটা জুস দিত কিছু কিছু দোকানে, সেটা তখন আমার খুব প্রিয় ছিল৷ ওটার জন্য হালখাতায় যাওয়ার একটা বাড়তি তাগিদ ছিল৷</p>
<p style=”text-align: justify”>প্রতিবছরই এই দিনে নানা অনুষ্ঠান থাকে৷ তবে এবছর আমার পয়লা বৈশাখ খুব স্পেশাল৷ আমার নিজস্ব একটা আর্ট গ্যালারির উদ্বোধন হচ্ছে আজ৷ ছোট গ্যালারি৷ নাম দিয়েছি ‘অনু’৷ গণেশ পাইন, সুনীল দাস এঁদের কাজ থাকবে৷ আরও অনেকেই ছবি দিয়েছেন৷ প্রতিবছর পালটে পালটে যাবে এরকমই ইচ্ছে৷</p>
<p style=”text-align: justify”>পয়লা বৈশাখ আর আগের মতো নেই৷  তবে হালখাতাটা এখনও রয়ে গেছে৷ যে কটা বাঙালি দোকান এখনও শহরে আছে, তারা এদিনই হালখাতা সারে৷ ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয়, ১ বৈশাখের থেকে ২৫ বৈশাখের গুরুত্ব অনেক বাঙালিজীবনে অনেক বেশি৷</p>